প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজবাড়ীর কালুখালীতে জামায়াত নেতা আশাদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার রহস্য পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন হলেন কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের কাউসার শেখের ছেলে মো. মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মণ্ডলের ছেলে মো. আনোয়ার মণ্ডল (৪৪) এবং সূর্যদিয়া গ্রামের শাহাজউদ্দীনের ছেলে মো. আব্দুল করিম মোল্লা (৩৫)।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকারের নেতৃত্বে, কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ জানায়, তদন্তে গত ৪ মাস আগে গ্রেপ্তার মিজান শেখের কাছ থেকে আশাদুল ইসলাম ৬৮ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। ধারকৃত টাকা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে না পারায় তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।
বিরোধের প্রেক্ষাপটে পূর্বপরিকল্পনামতো মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা আশাদুল ইসলামকে হত্যা করে এবং পরে মরদেহে আগুন লাগিয়ে দেয়।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তার মিজান শেখ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
অভিযানের সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি রক্তমাখা হেলমেট, একটি এসএস পাইপ (রড) এবং একটি লোহার ফোল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার (১৫ জুন) সকালে কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে আশাদুল ইসলামের অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অভিযানে নিহত আশাদুল ইসলাম স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী ছিলেন।
এ ঘটনার পর নিহতের বাবা শাহজাহান মণ্ডল বাদী হয়ে কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত চলাকালে পুলিশ অত্যন্ত দ্রুততায় হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন