প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের অন্যতম নাটকীয় ম্যাচের মধ্যে একটি ছিল এটি, যেখানে ১২০ মিনিটেও যোদ্ধা দল নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তাই, এবার নেদারল্যান্ডস এবং মরক্কোর ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হবে পেনাল্টি শুটআউটে।
নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পরে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলাও কোন দলের জন্য গোল আদায় করতে সহায়ক ছিল না। বলা চলে, দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে গেছে।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে মরক্কো সবচেয়ে বড় সুযোগটি পেয়েছিল। সুফিয়ান রাহিমি গোলমুখের কাছে পৌঁছানোর পর শটটি নিলেও, নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়ে বলটি রুখে দেন। তার এই সেভ সত্যিই ডাচ দলের জন্য বড় একটি রক্ষা ছিল।
এর আগে, নির্ধারিত সময়ের ৭২তম মিনিটে কোডি গাকপোর গোলে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে গিয়েছিল। তাই, তাদের জয় প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে, ইসা দিয়োপের হেড গোলের মাধ্যমে মরক্কোকে সমতায় ফিরিয়ে আনে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল দিয়োপের প্রথম গোল, এবং এটি তাঁর দলকে ম্যাচে ফেরাতে সাহায্য করেছে।
অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধেও, দুই দলই খুব সতর্ক ফুটবল খেলেছে। মাঝেমধ্যে অন্তত আক্রমণ করার চেষ্টা করলেও, কোন দলই শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি।
তাহলে, ১২০ মিনিটের এই উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের পর স্কোরলাইন ছিল ১-১। এখন, শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করার জন্য, দুই দলকেই পেনাল্টি শুটআউটে নামতে হবে যেটি একটি স্নায়ুচাপের পরীক্ষা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন