প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, "মিস্টার কর্নেল অলি আহমদ, আপনি ১ সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোর হুমকি দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট মাসুদ করিমের সঙ্গে আপনার সখ্য ও লেনদেনের বিষয়টি আমি সামনে এনেছি, যে সংবাদ ইতিপূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছিল। আপনার সৎসাহস থাকলে বলুন যে আপনার সঙ্গে মাসুদ করিমের কোনো সম্পর্ক ছিল না।"
সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি সরকারের পতনের বিষয়ে কর্নেল অলি আহমেদের বক্তব্য অর্থাৎ এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
সোমবার (৩ আগস্ট) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।
পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, "কর্নেল অলি আহমেদ তার সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে তার বাবা-মাকে নিয়ে দিয়েছেন ‘ঘৃণ্য বক্তব্য’। এরপর থেকে তিনি আর ন্যূনতম সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। তবুও আমি তাকে সম্মান দিয়েই কথা বলব।"
তিনি আমাকে ‘র’ বা মোসাদের এজেন্ট বলেছেন। কিন্তু এই বাংলাদেশে আমরা যখন আধিপত্যবিরোধী সংগ্রাম করতে গিয়ে মার খেয়েছি, মামলা খেয়েছি, তখন আপনি হাসিনার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপস করে বিরোধী দলের আন্দোলনকে ব্যর্থ করার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন।"
কর্নেল অলিকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, "আপনি জামায়াতের হাতে আসন তুলে দেওয়ার জন্য বিএনপি থেকে বেশি আসন চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি তদন্ত করে পায়, দুর্বল প্রার্থীদের কাছে এত আসন ছাড়লে সেগুলো জামায়াতের দখলে চলে যাবে।
আপনি যে জামায়াতের হয়ে খেলছিলেন, সেটির প্রমাণই জামায়াত জোটে আপনার যোগদান। তার মানে বিএনপি সঠিক ছিল।"
পোস্টে তিনি নিজের সম্পর্কে বলছেন, "আল্লাহর অশেষ রহমতে একজন শ্রমিকের সন্তান হয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে আমিই একমাত্র গ্র্যাজুয়েট। ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে একজন সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে ভূমিকা রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি।"
সবশেষে তিনি উল্লেখ করেন, "জামায়াতে গেলে যে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন