প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ড যেতে লন্ডন থেকে উড়াল দেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ। দুবাইয়ে ট্রানজিটের সময় বাধে বিপত্তি। বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরায় শনাক্ত হন তিনি। পাসপোর্ট জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ইন্টারপোলের তথ্যে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছে ছিল একাধিক দেশের পাসপোর্ট এবং আমিরাতের বৈধ রেসিডেন্সি পারমিট।
দুদকের মামলায় ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে বহুদিন ধরেই মোস্ট ওয়ান্টেড আসামি হিসেবে চিহ্নিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। তাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। দেশের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতীক হয়ে ওঠা বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে আছেন এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের বিভিন্ন মামলায় তাকে দেখানো হয় ফেরারি হিসাবে।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় তাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তবে বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করার কারণে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে।
দুবাইয়ে গত কয়েকদিনে বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা জানান, লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। তার পরিকল্পনা ছিল দুবাইয়ে ট্রানজিট শেষে গন্তব্যে পৌঁছানো। তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ক্যামেরায় ধরা পড়ে যাত্রার শেষ গন্তব্য হয়ে দাঁড়ায় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক এআইভিত্তিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত হওয়ার পর ইন্টারপোলের তথ্যভান্ডার মিলিয়ে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দুবাই পুলিশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বেনজীর লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হন। নির্ধারিত ফ্লাইটে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রানজিটে নামার পর তিনি অন্য যাত্রীর মতোই ইমিগ্রেশন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আসেন।
ইন্টারপোলের সেই নোটিশের সূত্র ধরেই দুবাই বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়ার পর দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ১২ জুন দুবাইয়ের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। জানা গেছে, গ্রেফতারের সময় তার কাছে ছিল একাধিক দেশের পাসপোর্ট ও আমিরাতের বৈধ রেসিডেন্সি পারমিট।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সীমাহীন দুর্নীতির প্রতীক হয়ে ওঠা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে আছেন- এ বিষয়ে মানুষের মুখে মুখে নানা আলোচনা চলছে। সেখানে নামে বেনামে অঢেল সম্পদের কথা বলেও নানা গুঞ্জন বিদ্যমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন