প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর লক্ষ্যে আফ্রিকার তিনটি দেশ থেকে যাত্রী প্রবেশ আমিরাত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে আজ ৬ জুন থেকে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব দেশের থেকে আগত যাত্রী ও পর্যটক তথা তাদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সরাসরি ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের জন্য নয়, বরং অন্য দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট নিয়েও যারা প্রবেশের চেষ্টা করবেন, তাদের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য হবে।
ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১ দিনের একটি কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যারা সংশ্লিষ্ট তিনটি দেশে ভ্রমণ করেছেন বা সেসব দেশ দিয়ে যাতায়াত করেছেন, তাদের জন্য আমিরাতে প্রবেশ করতে হলে অন্তত ২১ দিন ওই দেশগুলোর বাইরে থাকতে হবে। এই সময়সীমা ইবোলা ভাইরাসের সুপ্তিকাল বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যাত্রী প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ট্রানজিট ফ্লাইট এবং কার্গো পরিবহন চালু থাকবে। যেসব যাত্রী আমিরাতে না নেমে অন্য দেশে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি পণ্য পরিবহনও অব্যাহত থাকবে, তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন