প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাটোরের বড়াইগ্রামে কিশোরদের প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের কারণে মাইকে ঘোষণা করে লোকজনকে জড়ো করে দফায় দফায় ত্রিমুখী সংঘর্ষ সংঘটিত হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষের ঘটনায় একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে রোববার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার শিবপুর বাজার ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে শিবপুর গ্রামের ৭০ বছর বয়সী ওয়াজ প্রামাণিককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যসব আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায়, ওয়াজ প্রামাণিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয়দের কাছে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, গত ২৯ মে প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে গোপালপুর মৃধাপাড়া গ্রামের আবিরের সাথে শিবপুরের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি সংঘটিত হয়। পরবর্তীতে শুক্রবার আবির ও তার স্বজনরা শিবপুর গ্রামের সজীবকে মারধর করেন। এ সময় সেখানে থাকা গড়মাটি গ্রামের ব্যবসায়ী আবু হানিফকেও তারা মারধরের শিকার করেন।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং গড়মাটি কলোনি থেকে হানিফের স্বজনরা লাঠিসোটা নিয়ে শিবপুর বাজারে গেলে গোপালপুর কলোনি ও শিবপুরের লোকজনের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
রোববার সকালে গোপালপুর, শিবপুর এবং পাশের নারায়ণপুরের লোকজন একত্রিত হয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শিবপুর বাজারে অবস্থান নেয়। পরে তারা গড়মাটি গ্রামের ভ্যানচালক নিশাত (৩০)-কে পিটিয়ে আহত করে আটক রাখে। খবর পেয়ে গড়মাটি কলোনির লোকজনও সশস্ত্র অবস্থায় মহাসড়কে অবস্থান নিলে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর ইউএনও ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিশাতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম বলেন, “এ ঘটনায় থানায় পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন