প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামের এক বাড়ির মালিককে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর ঘাতকরা মরদেহ ৯ টুকরা করে পলিথিনে মুড়ে জীবনযাত্রার স্থান, বাসার পেছনে ফেলে রাখে।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে ফরিদা ইয়াসমিন স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছিলেন। তার স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। বাড়ির একটি ঘর ভাড়া দিয়ে রেখেছিলেন লাইলী আক্তারের কাছে।
শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে খুঁজে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ফরিদা ইয়াসমিনের বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটের ভেতরে খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
রাত সাড়ে সাতটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ফরিদার টুকরা করা মরদেহের প্যাকেটগুলো উদ্ধার করে এবং লাইলী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, আটক লাইলী আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো পা ও মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
আটক লাইলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরও চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন