প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের অর্থনীতিকে চাপের মধ্যে ফেলার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বল্প সময়ে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার জন্য যথেষ্ট হাতিয়ার রয়েছে, তাদের কোন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা লক্ষ্য নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেনিফার গ্যাভিটো আল জাজিরাকে জানিয়েছেন যে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো ইতোমধ্যে ইরানের অর্থনীতিকে যথেষ্ট দুর্বল করে ফেলছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন চাইলে এই চাপকে আরও বাড়াতে সক্ষম হবে। তবে জেনিফার গ্যাভিটো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে হাতিয়ার আছে ঠিকই, কিন্তু এটি একদমই কোন কৌশল নয়। অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বা ইরান পিছু হটবে—এমন কোন প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।’
ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনার বিস্তারিত একেবারেই পরিষ্কার নয়। তবে তার হাতে বেশ কিছু বিকল্প রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে সই করা এক আদেশে জানিয়েছেন, যারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে, তাদের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর প্রস্তাব থাকতে পারে। এর পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ নতুন শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিতে পারে। এই অবস্থায় ইরানের সঙ্গে যুক্ত বন্দর, বিমান সংস্থা, কোম্পানি বা জাহাজগুলো বিশ্ব বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
বেসত, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি, তেহরানের বিরুদ্ধে কয়েক মাস আগে শুরু হওয়া অর্থনৈতিক চাপকে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। অবশেষে, এই লড়াইয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী, সেটি এখনও সকলের কাছেই অজানা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন