প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল, যিনি একটি ফাইল ছবিতে দেখা যাচ্ছেন, ঢাকার অদূরে আমিনবাজার ও আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি সেবাদান কার্যক্রম, উপস্থিতি শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অনিয়ম ও ঘাটতির চিত্র দেখতে পান। তার অসন্তোষ প্রকাশ করার পর, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রীর এই হস্তক্ষেপের ফলস্বরূপ, সেবাপ্রার্থীরা জানিয়েছেন যে দুটি রাজস্ব কার্যালয়ের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তাদের মতামত অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে সেবা প্রদানে অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সাধারণ মানুষ নানা ধরনের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক তদারকির ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং সেবার কার্যক্রমে গতি ফিরেছে।
সেবাগ্রহীতাদের অভিমত এটি যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করে যদি এ ধরনের তদারকি নিয়মিত চালু থাকে, তবে অনিয়ম আরো কমবে এবং সাধারণ জনগণ সময়মতো কার্যকর সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে। এতে সরকারি সেবাব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।
আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা রজিবুল আলম জানিয়েছেন, আগের তুলনায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কর্মকর্তাদের তৎপরতার বৃদ্ধি এবং কাজের গতির উন্নতির কারণে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হলে সেবার মান আরো উন্নত হবে।
একই ধরনের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আমিনবাজারের বাসিন্দা রোজিনা খাতুন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে কাজের গতি বেড়েছে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা দেখা যাচ্ছে। তিনি সেবার মান ধরে রাখতে নিয়মিত নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
অন্যদিকে, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে তিনি বলেছেন, জনগণকে হয়রানিমুক্ত, দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রদান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, সেবার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতা বরদাশত করা হবে না। সরকার মানুষের দোরগোড়ায় স্বচ্ছ এবং সহজ ভূমিসেবা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবে, এবং ভবিষ্যতেও এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন