প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনিতে সুমাইয়া খাতুনকে হত্যার ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে উপজেলার কাশিবাটি ও নওয়াপাড়া গ্রাম থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পত্রিকাপড়ুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কাশিবাটি গ্রামের মৃত মীর মহসিন আলীর ছেলে মীর আব্দুস সামাদ (৪০), মনিরউদ্দিন খানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৪৫) এবং নওয়াপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে শিমুল হোসেন (৩২)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান মল্লিকের আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, আব্দুস সামাদকে কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে, শিমুল হোসেনকে তাঁর বাড়ি থেকে এবং মোস্তাফিজুর রহমানকে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রোববার তাঁদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
সাতক্ষীরা আদালত পুলিশের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মানচিত্রদেখুন
উল্লেখ্য, কালিগঞ্জের কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা সুলতানার হাত-পা বাঁধা মরদেহ কাশিবাটি গ্রামের আমিরুল ইসলামের দেয়াল আলমারি থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আমিরুলের স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে স্থানীয় লোকজন মারধর করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ফারজানা হত্যার ঘটনায় তার মা নাজমা খাতুন বাদী হয়ে ২২ জুলাই সুমাইয়ার ভাই আল আমিনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় আল আমিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। পরে ২৫ জুলাই সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল ইসলাম অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি হত্যা মামলা করেন। পরদিন সুমাইয়ার বাবা লতিফ শেখ হামিদুল মোড়ল ও হুসাইন খানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় নূর ইসলাম মীর ও আরিফুল ইসলাম নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন