প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মশার উপদ্রব কমানোর জন্য সাধারণত কীটনাশক ব্যবহার করা হয় অথবা মশা নিধনের কার্যক্রম করা হয়। কিন্তু এবার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে নতুন ধরনের একটি উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এবং ফ্লোরিডার কিছু এলাকায় ৩ কোটি ২০ লাখ বিশেষভাবে প্রস্তুত করা মশা অবমুক্ত করার জন্য অনুমতি চেয়েছে।
ইয়াহুর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নেওয়া এ প্রকল্পের কার্যকারিতা এবং নিরাপত্তা দুই বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করা হবে। গবেষকরা ফলাফল মূল্যায়ন করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করে ধাপে ধাপে মশাগুলো অবমুক্ত করা হবে।
প্রকল্পের জন্য এমন এলাকা নির্বাচিত করা হয়েছে, যেখানে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি। যদিও প্রথম নজরে এটি মশার সংখ্যা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ বলে মনে হতে পারে, প্রকৃতপক্ষে এর লক্ষ্য হলো রোগ ছড়াতে সক্ষম মশার সংখ্যা হ্রাস করা।
গুগলের দাবি করা হয়েছে, বিশেষভাবে প্রস্তুত এসব মশা রোগ বহন বা ছড়াতে সক্ষম নয়। এগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকা মশার প্রজনন প্রক্রিয়ায় প্রভাব তৈরি করবে। এর ফলে, সময়ের সাথে সাথে রোগবাহী ক্ষতিকর মশার সংখ্যা কমে আসবে এবং মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও কমে যাবে।
তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য গুগলকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন। জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের উপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা তথ্য, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং নজরদারি পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছে।
এদিকে মশার আচরণ এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা চলছে। সম্প্রতি জার্নাল অব এক্সপেরিমেন্টাল বায়োলজি-তে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত মশা তাড়ানোর উপাদানের গন্ধ মশা খাবারের উৎসের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে শিখে নিতে পারে।
গবেষণার প্রধান লেখক ক্লাউডিও লাজ্জারি ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, গবেষণাটি প্রমাণ করেছে যে কোনো রাসায়নিক উপাদানের গঠন নিজে থেকেই মশার জন্য বিরূপ নয়; বরং মশা সেই রাসায়নিক সংকেতকে কিভাবে ব্যাখ্যা করে, তার ওপর তাদের আচরণ নির্ভর করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন