প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত একটি ‘বিপজ্জনক মোড়’ নিয়েছে। ঐতিহাসিক চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় নিশানা করেছে মস্কো। সেইসঙ্গে, ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রুশ ড্রোন এবং বোমা হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যেই, ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এবং ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।
রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের হামলার ভয়াবহ প্রতিশোধ নিল রাশিয়া। স্থানীয় সময় শনিবার রাত ও রোববার ভোরে, ইউক্রেনজুড়ে আকাশপথে রুশ বাহিনী জোরাল হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের দাবি, ঐতিহাসিক চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকার ওপর নিশানা প্রতি গিয়েছে মস্কোর।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অভিযোগ, চেরনোবিলের কাছে ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি সংরক্ষণাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে পুতিনের বাহিনী। ওই হামলায় একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা-আইআইএ।
যদিও ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় সংস্থা এনার্গোআটম দাবি করেছে, বিকিরণের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে এবং সেখানে সংরক্ষিত জ্বালানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরেও রুশ হামলা অব্যাহত রয়েছে। ঝাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে একটি বাসস্টপে গাইডেড বোমা হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছেন। দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলেও ড্রোন এবং বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরেকজন।
একই রাতে রাশিয়া ২৩৬টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন, যাদের অধিকাংশই প্রতিহত করা হয়েছে। অপরদিকে, রাশিয়া বলছে, তারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শেভচেঙ্কো বসতির দখল নিয়েছে এবং শত শত ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
এদিকে, লন্ডনে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে জেলেনস্কির। ইউরোপীয় এই মিত্ররা রাশিয়ার ওপর আরও চাপ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো।
এদিকে, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গেল মাসে কিয়েভ সফরে আসা রুশ ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচের মাধ্যমে পুতিনের কাছে সরাসরি বৈঠকের বার্তা পাঠিয়েছিলেন জেলেনস্কি। প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতির সময় মুখোমুখি আলোচনার কথাও ছিল। কিন্তু বর্তমানে এমন বৈঠকের প্রয়োজনীয়তা নাকচ করছে পুতিন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন