প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মোয়াজ্জেম মো. মাহফুজ রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ জালিয়াতি করে উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করার মাধ্যমে ব্যাংকে চেক জমা দেওয়ার এই ঘটনার কারণে স্থানীয় প্রশাসনিক ও সচেতন মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, মডেল মসজিদ পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট একটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। নিয়ম অনুসারে, মসজিদ কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষর নিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে হয়।
কিন্তু ৩০ জুলাই (বৃহস্পতিবার) মোয়াজ্জেম মাহফুজ রহমান, কোনো প্রকার একান্ত অনুমোদন বা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই, ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে একটি চেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য সোনালী ব্যাংকে জমা দেন।
ব্যাংক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয় যখন তারা চেকে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে ইউএনও’র মূল স্বাক্ষরের অমিল দেখতে পান। পরবর্তীতে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এ কারণে টাকা প্রদান তৎক্ষণাৎ স্থগিত করে পুরো ঘটনা উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের অসদাচরণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংকের বদলগাছী শাখা ব্যবস্থাপক নুরে আলম জানান, চেকে প্রদান করা স্বাক্ষরে অসঙ্গতি পাওয়ায় অর্থ প্রদান স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
মোয়াজ্জেম মো. মাহফুজ রহমানের সাথে অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান ছনি বলেন, সরকারি অর্থে জালিয়াতির ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার পর তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন