প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত একটি বাসের মধ্যে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে বাসচালক মো. ইমরান (৩৫), তার সহকারী মো. মুসফেকুর রহমান জনি (২০) এবং চালকের পরিচিত মো. সুমন প্রামাণিক (৩০) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকা গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সাভারের নবীনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই নারী একটি বাসে ওঠেন। নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর আগেই চালক ইমরান তার সহকারী মুসফেকুরকে বাস চালানোর দায়িত্ব দেন। পরে ইমরান ওই নারীর সঙ্গে থাকা রুবেলকে মারধর করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে বাস থেকে শ্রীপুর এলাকায় নামিয়ে দেয়।এক পর্যায়ে ইমরানও বাস থেকে নেমে যায়।
এসময় মুসফেকুর ও রুবেলের পরিচিত সুমন প্রামাণিক বাসে ছিলেন। এর পরে সুমনের সহায়তায় মুসফেকুর চলন্ত বাসে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। অন্যদিকে রুবেল দেশের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
এ খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশুলিয়ার রাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আরেকটি বাস দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে সাভার পরিবহনের বাসটি থামায়। পরে এই বাস থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং জনি ও সুমনকে বাসসহ আটক করা হয়।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পরদিন রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে ইমরানকে গ্রেপ্তার করে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ কয়েকটি দল অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে উদ্ধারসহ জনি ও সুমনকে আটক করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
এরপর রবিবার রাতে আশুলিয়ার রাড়ইপাড়া এলাকা থেকে বাসচালক ইমরান গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন