প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। আদালতের বিচারকরা শুক্রবার তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাতে তাঁকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় ঘোষণা করেন।
এদিকে, শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে একটি অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। এই কারণে, আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বদলে যায়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও এই স্থগিতাদেশ বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে এক সময় শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। এই নিহতদের মধ্যে ৪২ জন বিদেশি নাগরিক ছিলেন।
হামলার পর গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে একাধিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এই ব্যর্থতার কারণে জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর। একই সঙ্গে, একই অভিযোগে শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও পৃথক রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।
২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলায় সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউ বর্তমানে জীবিত নেই। কিন্তু হামলাকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে আরও বেশ কয়েকজনের বিচার চলছে।
অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি হলো, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। তাদের মতে, এই হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।
সূত্র: এএফপি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন