প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় ফল কাঁঠাল দিয়ে বর্তমানে সিঙ্গারা, সমুচা এবং কাবাবসহ পুষ্টিগুণসম্পন্ন বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁঠালভিত্তিক খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণন নিয়ে আলোচনা করছে এবং স্থানীয় পর্যায়েও এসব পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণে কার্যক্রম চলমান বলে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনের পর, বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান।
দেশে ফল উৎপাদনে এক ধরনের বিপ্লব ঘটেছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, একসময় যেসব ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, সেগুলোর অনেকগুলো এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমছে এবং ভবিষ্যতে অনেক ফল আমদানির প্রয়োজনও থাকবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় ফল মেলায় দেশীয় বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি অনেক অপ্রচলিত ফলও প্রদর্শিত হচ্ছে, যা সাধারণত বাজারে অতি কম দেখা যায়। বিদেশি ফলের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে কৃষি খাতে নতুন নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় ড্রাগন ফলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই-তিন বছর আগে বাংলাদেশে ড্রাগন ফল আমদানি করা হতো। এখন দেশ থেকেই এ ফল রপ্তানির স্বপ্ন দেখা হচ্ছে। যদিও এটি বিদেশি ফল, কিন্তু বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদিত ড্রাগন ফল অত্যন্ত সুস্বাদু। বিদেশে উৎপাদিত ফলের তুলনায় দেশের ড্রাগন ফল বেশি মিষ্টি এবং স্বাদের দিক দিয়েও উন্নত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে যুক্ত হচ্ছেন। ইতিমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে। চলতি বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বাড়বে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। কাঁঠাল রপ্তানি সম্প্রসারণে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে- এমন সমালোচনায় মন্ত্রী বলেন, কৃষির বরাদ্দ কমেনি। বরং আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর বাইরে প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটও রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন