প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক ডেস্ক থেকে খবর পাওয়া গেছে যে, অনলাইন ভার্সনে সংগৃহীত ছবিতে দেখা যাচ্ছে তেলেগু ব্লকবাস্টার ‘পুষ্পা’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র আল্লু আর্জুন মূল্যবান লাল চন্দন পাচার করে কোটি কোটি রুপি কামিয়েছেন। তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে রয়েছে এমন কিছু অভিনব কৌশল অবলম্বন করতেন। কিন্তু পুষ্পা সিনেমা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তেলেঙ্গানার একটি মাদক পাচারকারী চক্র অভিনব কায়দায় মাদক পাচারের চেষ্টা চালিয়েছে। সিনেমায় সফল হলেও বাস্তবে পাচারকারীরা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেছে।
চল উচিত যে, পুষ্পা সিনেমায় লাল চন্দন পাচারের জন্য আল্লু আর্জুন নানা কায়দা অবলম্বন করতেন। এর মধ্যে একটি বিশেষ প্রযুক্তি ছিল দুধের ট্যাংকারের নিচে গোপন একটি কুঠুরি তৈরি করে সেই কুঠুরিতে লাল চন্দন পাচার করা। ঠিক তেমনভাবেই, তেলেঙ্গানার পাচারকারীরা একটি কনটেইনারে গোপন কুঠুরি বানিয়ে গাঁজা পাচার করতে উদ্যত হয়েছিল। কিন্তু পুলিশও নিশ্চয়ই পুষ্পা সিনেমাটি দেখেছে। তাই তাদের গোপন কুঠুরি আর গোপন থাকেনি।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, তেলেঙ্গানার ঈগল ফোর্স এবং ভদ্রাদ্রি কোঠাগুদেম পুলিশ যৌথভাবে কয়েক ঘণ্টা ধরে একটি কনটেইনার ট্রাক এবং সেটির পাহারায় থাকা একটি মোটরসাইকেলকে অনুসরণ করেন। মঙ্গলবার বিকেলে, পুলিশ দলটি আইটিসি পেপারস বোর্ড ওয়েস্ট গেটের কাছে যানবাহন দুটিকে আটকে দেন। গোপন কুঠুরি থেকে পুলিশ ২ কোটি ৬২ লাখ রুপি মূল্যের ৫২৫ কেজি গাঁজা জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই গাঁজা ওড়িশার আল্লুরিকোটা বনাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং তেলেঙ্গানায় প্রবেশের আগে এটি অন্ধ্রপ্রদেশের তুলাসিপাকা হয়ে পরিবহন করা হচ্ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চালানটি খাম্মাম, ওয়রাঙ্গল, আদিলাবাদ এবং মহারাষ্ট্র হয়ে উত্তরপ্রদেশে যাওয়ার কথা ছিল।
এখন পুলিশের কাছে এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ওড়িশার একজন মাদক সরবরাহকারী, অন্ধ্রপ্রদেশের একজন এসকর্ট আরোহী এবং উত্তরপ্রদেশের এক ট্রাকচালক। এই চক্রের আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ। সন্দেহভাজনদের তালিকায় রয়েছেন কনটেইনার ট্রাকের মালিক এবং মদকের সম্ভাব্য গ্রাহকরাও।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন