প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কোনও বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে তেহরান চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে পুরো অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। কারণ, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরই ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "যদি ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালানোর হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তাহলে ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতে পুরো অঞ্চলের সব অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ ইরানের একটি বড় রেড লাইন এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না। আরো তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবারে আগের চেয়ে আরও তীব্র, ব্যাপক এবং বিধ্বংসী আঘাত হানবে।
অন্যদিকে, কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে বিরোধ মেটাতে পাকিস্তান তাদের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক (MoU) বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে, এমন তথ্যও এসেছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দোরাবি ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের বলেন, তারা নানা বাধা সত্ত্বেও প্রতিটি পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ করা এবং কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য উৎসাহিত করে যাবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন