প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অধিকারীকৃত পশ্চিম তীরে সাত মাস বয়সী একটি ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দেওয়া যে ব্যাখ্যা রয়েছে, সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইসরাইলের মানবাধিকার সংস্থা বি’তসেলেম।
সংস্থাটি মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দাবি করেছে, যে ঘটনার জন্য সেনাবাহিনীর বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্রের মধ্যে কোনো মিল নেই।
জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।
গত সপ্তাহে পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে একটি পারিবারিক গাড়িতে ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালানোর ফলে সাত মাস বয়সী সাম ফাহদ আবু হাইকাল নিহত হয়। এ ঘটনায় তার বাবা-মাও সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হন।
শুক্রবারের ওই ঘটনার পর ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, ‘সেনারা একটি গাড়িকে তাদের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসতে দেখার পর’ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত বি’তসেলেম-এর ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গাড়িটি দুই ইসরাইলি সেনার কাছে পৌঁছানোর আগে গতি কমিয়ে থেমে গিয়েছিল।
ভিডিওতে গুলি ছোড়ার দৃশ্য দেখা যায় না। কিন্তু গুলির ঘটনার পর ফিলিস্তিনি পরিবারটিকে গাড়ির বাইরের দিকে অবস্থান নিতে দেখা যায়। এ সময় বাবার কোলে থাকা শিশুটির শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল।
গুলির ঘটনার কিছুক্ষণ পর, সেনাবাহিনী জানায়, তারা বিষয়টি তদন্ত করছে।
প্রাথমিক তদন্তের ফলাফলে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনি দম্পতি ও তাদের শিশু ‘ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না এবং তারা সাধারণ বেসামরিক নাগরিক।’
বি’তসেলেম আরও অভিযোগ করেছে যে, আহতদের সহায়তায় সেনারা কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়নি।
সংস্থাটি এক্স-এ লিখেছে, ‘গুলির ঘটনার পর যে সেনা গুলি চালিয়েছিল ও তার সঙ্গে থাকা আরেক সেনা গাড়িটি পরীক্ষা না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তারা গুরুতর আহত শিশু ও তার মাকে কোনো সহায়তা দেয়নি।’
ইসরাইলি সেনাবাহিনী এএফপিকে জানায়, সংস্থাটির প্রকাশিত ভিডিওটি তারা ‘পর্যালোচনা করছে।’
শনিবার সামের জানাজায় তার বাবা ফাহদ আবু হাইকাল বলেন, ঘটনার ভুলবশত ঘটেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তিনি তা মানতে প্রস্তুত নন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন