প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, নিশ্চিত সূচিতে পরিকল্পিত নগরায়ণ অগ্রসর করা এবং নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে সবুজ ভবন ও জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ কাজের জন্য এটি এখন সময়ের বড় দাবি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং স্বল্প-কার্বন নকশার ব্যবহার কার্বন নিঃসরণ কমানোতে সাহায্য করবে এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে আমাদের।
আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টেকসই ভবন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত কর্মশালা: সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল নির্মিত পরিবেশের পথে’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী আরো বলেন, ২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশে নগরবাসীর সংখ্যা গ্রামীণ জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৫৬ শতাংশের বেশি মানুষ শহরে বসবাস করবে। সেজন্য, শীঘ্রই নগরায়ণ এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে টেকসই নির্মাণব্যবস্থা তৈরির কোন বিকল্প নেই।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মশালার সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় নীতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে টেকসই এবং সবুজ নির্মাণব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ, বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন