প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বেড়তলা উত্তরপাড়ার একটি ঘটনায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতের দিকে কুলসুম আক্তার (২৮) নামে ওই নারীকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। কুলসুম আক্তার বেড়তলা গ্রামের বাসিন্দা আক্তার হোসেনের স্ত্রী, যিনি বাহারাইন প্রবাসী।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, কুলসুমকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তবে বিকেল নাগাদ এ বিষয়ে থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি এবং পুলিশও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, প্রায় ১০ বছর আগে পানিশ্বর ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রামের আলী হোসেনের মেয়ে কুলসুম আক্তারের সাথে বেড়তলা গ্রামের দুধু মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেনের বিয়ে হয়। কুলসুমের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে এবং তিনি স্বামীর বাড়ির একটি টিনশেড ঘরের একপাশে একা থাকতেন। অন্যপাশে তার দেবর আলকাছ থাকেন।
অন্য দিনগুলোর মতো বুধবার রাতে কুলসুম নিজ শয়নকক্ষে একা ঘুমাচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে যখন কুলসুম দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ঘুম থেকে ওঠেননি, তখন কুলসুমের শাশুড়ি ওই ঘরে প্রবেশ করেন এবং বিছানায় তার অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকায় দেখেন। পরবর্তীতে কুলসুমের বাবার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। কুলসুমের বাবার বাড়ির স্বজনরা এসে কুলসুমকে খুনের অভিযোগ করেন।
কুলসুমের বাবা আলী হোসেন অভিযোগ করছেন, ‘চাচাতো শ্বশুর ইউসুফ আলী গংরা কুলসুমের হত্যার সাথে জড়িত। তারা কুলসুমকে হত্যা করে তার কাছে থাকা টাকা, মুঠোফোন সেট এবং স্বর্ণালঙ্কারগুলো ছিনিয়ে নিয়েছে। ঘরের সুকেস এবং স্টিলের আলমারির তালা ভাঙ্গা এবং খোলা ছিল। জায়গার বিরোধের কারণে আগেও তারা কয়েকবার কুলসুমকে মারধর করেছে।’
সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে তদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, মালামাল বা স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগ সঠিক নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন