প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর জন্য দাবি তুলে ধরেছে দেশটির প্রধান শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা ২০২৭ সালের জন্য ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার উয়ন নির্ধারণের জন্য দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) রাজধানী সিউলের সেজংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোরিয়ান কনফেডারেশন অব ট্রেড ইউনিয়ন এবং ফেডারেশন অব কোরিয়ান ট্রেড ইউনিয়নসহ অন্যান্য শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এ দাবি উত্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় হ্রাস পাওয়ার কারণে ন্যূনতম মজুরিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি। তারা ২০২৭ সালের জন্য ঘণ্টাপ্রতি ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার উয়ন নির্ধারণের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।
শ্রমিক সংগঠনগুলো তাদের দাবির সমর্থনে তিনটি প্রধান বিষয় উল্লেখ করেন। প্রথমত, শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি নিশ্চিত করতে ন্যূনতম মজুরির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি অপরিহার্য।
দ্বিতীয়ত, বিশেষ কর্মসংস্থানভিত্তিক ও প্ল্যাটফর্ম শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি আইনকে সম্প্রসারণ করা উচিত, এভাবে যাতে নতুন কর্মসংস্থানের ধরনগুলোর অন্তর্ভুক্তিও আইনগত সুরক্ষা পায়।
সর্বশেষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং স্বনিয়োজিত উদ্যোক্তাদের সুরক্ষার দায়িত্ব সরকার আরও জোরদার করার দাবি জানান তারা।
নেতারা বলেন, ন্যূনতম মজুরি ব্যবস্থা মূলত শ্রমিকদের ন্যূনতম জীবনমান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক শ্রমিক এখনও পর্যাপ্ত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাই ন্যূনতম মজুরি ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য পুনরুদ্ধার এবং সব শ্রমিককে বৈষম্যহীনভাবে সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার ও জাতীয় সংসদের প্রতি তারা আহ্বান জানান।
একদিকে শ্রমিকপক্ষ জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় বড় ধরনের মজুরি বৃদ্ধির দাবি করছে, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়া এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন আগামী বছরের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার উয়ন করার দাবির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন