প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফার দ্বৈত নীতির যে তীব্র নিন্দা দক্ষিণ আফ্রিকার, তা পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বিতর্ক ফিফার পিছু নিয়েছে। ভিসা ইস্যু, রেফারিকে মাঠে ঢুকতে না দেওয়া এবং অভিবাসন কঠোর নীতির বেড়াজালে বৈশ্বিক এই আসর মলিন হয়ে রয়েছে।
গ্রুপ পর্বে সব দলই তাদের নিজ নিজ ম্যাচে মাঠে নেমেছে। এই অবস্থায় রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বৈত নীতির অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার থেম্বা জোয়ানকে লাল কার্ডের কারণে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। এই সিদ্ধান্তে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস গভীর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, গত মঙ্গলবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের উদ্বোধনী জয়ের ম্যাচে আইসা মান্দির পায়ের পেছনে লাথি মারার জন্য মেসি কোনো ধরনের শাস্তি পাননি। এই বিষয়টি নিয়ে রেফারিংয়ে দ্বৈত নীতি নিয়ে আক্ষেপ করেছেন ব্রুস।
তিনি জানিয়েছেন, থেম্বা জোয়ানকে নিষিদ্ধ করার সঙ্গে আলজেরিয়ার ম্যাচে আর্জেন্টিনার তারকা লিওনেল মেসির ফাউলের বিষয়ে তার মনে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা স্পষ্ট।
ওই সংবাদ সম্মেলনে কোচ হুগো বলেন, ‘আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসির জন্য ভিএআরে নিয়ম এক, আর থেম্বা জোয়ানের জন্য আরেক নিয়ম কেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই না মেসি লাল কার্ড পাক। ওর মতো একজন খেলোয়াড় কে মাঠে থাকতে হবে। আমরা সবাই দেখেছি, কতটা অসাধারণ খেলোয়াড়। কিন্তু, তাতে কী আসে যায়?’
থেম্বার লাল কার্ড কঠোর সিদ্ধান্ত বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি যুক্তি তুলে ধরেন, থেম্বার করা ফাউলটি আমরা পুনরায় দেখেছি এবং তাতে মনে হয় না যে, এটি লাল কার্ড দেওয়ার মত কঠিন ফাউল ছিল।’
ব্রুস, জোয়ানেকে দেওয়া লাল কার্ড এবং তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করার কথাও জানান।
বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্যাম্পে ভূপাতিত করার ঘটনাও ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন