প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও স্মরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইরান-আমেরিকা সম্পর্কের প্রতি জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি উঠতে পারে। এই মন্তব্যটি করেছেন তেহরানের 'সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ'-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি।
শুক্রবার আলজাজিরা সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, 'এই আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিক স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে- 'আমাদের জেগে উঠতে হবে'।' তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জনগণের কাছে বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পরেও দেশের নীতি ও ধারাবাহিকতায় একটুও ফাটল ধরেনি এবং ইরানের নীতিমালায় কোন পরিবর্তন আসেনি।
আসলানি আরও জানান, এই দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সাধারণ ইরানিদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন একটি মুহূর্ত। এখানে তারা তাদের নেতাকে বিদায় জানাচ্ছেন। তবে সমাবেশ থেকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জোরালো দাবিও উঠে আসতে পারে।
প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার ভূমিকা সম্পর্কেও তিনি মন্তব্য করেছেন। বাহ্যিক ও আন্তর্জাতিক চাপ রুখে দেওয়ার ক্ষেত্রে খামেনি ছিলেন এক অবিচল ব্যক্তিত্ব। তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলার মূল রূপকার এবং দেশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবেই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন