প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরগুনায় ভাগ্নেকে সাঁতার শেখাতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দুজনের মৃত্যু ঘটে। শনিবার (২৭ জুন) ৩টার দিকে বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিণ আমতলী গ্রামের নাজির বাড়িতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃতদের মধ্যে হলেন দক্ষিণ আমতলী এলাকার বাসিন্দা তৈয়ব আলী নাজিরের ছেলে হাফেজ মুহাম্মদ তামিমুল ইসলাম তানভীর (২১) এবং তার ভাগ্নে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৯)। মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ঢাকার একটি হাফিজী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। অপরদিকে, হাফেজ মুহাম্মদ তামিমুল ইসলাম তানভীর স্থানীয় একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে হাফেজ মুহাম্মদ তামিমুল ইসলাম তানভীরের মা মারা যান। তাঁর মায়ের মৃত্যু পরবর্তী দোয়া ও মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে পরিবার এবং স্বজনরা বাড়িতে আসেন।
দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ঢাকা থেকে নানার বাড়িতে আসেন। এর পর শনিবার, বিকেলে ভাগ্নে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে সাঁতার শেখাতে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে নিয়ে যান মামা হাফেজ মুহাম্মদ তামিমুল ইসলাম তানভীর। সাঁতার শেখানোর সময়, ভাগ্নেকে কাঁধে নিয়ে সাঁতার কাটার সময়, ওবায়দুল্লাহ কাঁধ থেকে খসে পড়ে মুহুর্তের মধ্যে পানিতে ডুবে যায়। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে মামা তানভীরও পানিতে ডুবে যান।
স্বজন এবং স্থানীয়রা ঘটনাটি লক্ষ্য করে পুকুর থেকে মামা এবং ভাগ্নেকে উদ্ধার করতে যায় কিন্তু তাদের প্রয়াস সত্ত্বেও তারা অচেতন হয়ে যায় এবং পরে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, পুকুরে ডুবে মামা ও ভাগ্নের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে ঘটেছে এবং পরিবারের ব্যতীত ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত করা হয়নি, মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন