বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাকে বিদেশে দীর্ঘ সময় প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হতে হয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় এ কথা জানান।
বিদেশে অবস্থানের সময়কার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বিরোধীদলীয় নেতার ছেলে বর্তমানে ব্রিটেনে থাকেন। আমাকেও একসময় রাজনৈতিক কারণে সেখানে থাকতে হয়েছে। প্রবাসে থাকা অবস্থায় ওখানকার স্কুলগুলো দেখে আমি খুব কষ্ট পেতাম। ভাবতাম, আমার দেশের স্কুলের শিক্ষার্থীরা কবে এমন সুন্দর পরিবেশে স্কুলে যাবে।'
শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমি শিক্ষাঙ্গনের বর্তমান অবস্থা চাই না, আমূল পরিবর্তন চাই। আগামী জুলাই মাস থেকে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ, ড্রেস এবং জুতা প্রদান করবে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর ও সম্মানজনক পরিবেশে পড়াশোনা করুক।'
তিনি ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থান, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, 'শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল মানুষ মুক্তভাবে কথা বলবে এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান পাবে। শুধু শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।'
দেশের নারী শিক্ষার উন্নয়নে একটি বড় ঘোষণা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, 'বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করেছিল। এবার আমরা স্নাতক (ডিগ্রি) পর্যায় পর্যন্ত নারী শিক্ষাকে ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সঙ্গে ভালো ফলের ভিত্তিতে উপবৃত্তির ব্যবস্থাও থাকবে।'
চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'জ্বালানি সংকটে দেশের মানুষ কষ্ট পেয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে আমরা বিরোধী দলের দেয়া প্রস্তাব গ্রহণ করেছি এবং একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এর সমাধান আসবে।'
দেশের সাম্প্রতিক বন্যা ও জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে 'ফ্যামিলি কার্ড' এবং কৃষকদের জন্য 'কৃষক কার্ড' কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
সংসদকে জনগণের অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এই সরকার জনগণের নির্বাচিত এবং জবাবদিহিমূলক সরকার। জনগণের দেখভাল করাই আমাদের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, দেশের নারী শিক্ষার প্রসারে এখন থেকে স্নাতক (ডিগ্রি) পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনা অবৈতনিক বা ফ্রি করা হবে।
সেই সঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উপবৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতা করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।
নারীদের অবজ্ঞা করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন আমরা দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলাম। এবার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করা হবে। তারা যেন উচ্চশিক্ষায় আরও এগিয়ে আসতে পারে, সে জন্য ভালো ফল করলে উপবৃত্তির ব্যবস্থাও আমরা নিশ্চিত করব।’
নারী ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এরইমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পে ব্যয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন করেন এত টাকা কোথা থেকে আসবে। এটিকে খরচ হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ (ইনভেস্টমেন্ট) হিসেবে দেখতে হবে। এই টাকা গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে শক্তিশালী করবে।’
শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আগামী জুলাই মাস থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ, ড্রেস এবং জুতা দেবে সরকার। আমি চাই শিক্ষার্থীরা সুন্দর ও মানসম্মত পরিবেশে পড়াশোনা করুক।’
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ মুক্ত পরিবেশে এই সংসদ পরিচালিত হয়েছে। আমরা দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সংসদ বাংলাদেশের মানুষের জন্য।’
১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থান, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের শহীদ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল মুক্তভাবে কথা বলা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই হবে সরকারের বড় দায়িত্ব।
জ্বালানি সংকট নিয়ে বিরোধী দলের প্রস্তাব মেনে যৌথ কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি একটি জবাবদিহিমূলক সরকার এবং জনগণের কষ্ট লাঘবে যেকোনো গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণে সরকার বদ্ধপরিকর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ইসরাইলকে সমর্থন করুন, না হলে পদত্যাগ করুন’ লিখে বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’ ও ‘টেলিগ্রাফ’-এর মালিকানা প্রতিষ্ঠান এক্সেল স্প্রিঞ্জারের প্রধান নির্বাহী ম্যাথিয়াস ডফনার এক বিতর্কিত নির্দেশনায় জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের অবশ্যই ইসরাইলকে সমর্থন করতে হবে, অন্যথায় তাদের পদত্যাগ করা উচিত।
ম্যাথিয়াস ডফনারের এই ঘোষণার পরে সংবাদমাধ্যম দুটির সম্পাদকীয় স্বাধীনতা চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) পলিটিকোর সাংবাদিকদের সঙ্গে এক উত্তপ্ত বৈঠকে ডফনার স্পষ্ট করে বলেন, ইসরাইলকে সমর্থন করা তাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মূল ভিত্তি। বৈঠকে ডফনারের রাজনৈতিক এজেন্ডা প্রচারের অভিযোগ তুলে নবনিযুক্ত সম্পাদক জোনাথন গ্রিনবার্গের কাছে একটি চিঠি পাঠান সাংবাদিকরা। তাদের দাবি, ডফনারের সাম্প্রতিক মতামতগুলো একটি নিরপেক্ষ সংবাদমাধ্যম হিসেবে পলিটিকোর সুনাম ক্ষুণ্ন করছে।
চলতি মাসেই ডেইলি টেলিগ্রাফ অধিগ্রহণের অনুমোদন পেয়েছে এক্সেল স্প্রিঞ্জার। এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয় বৃদ্ধি পেয়েছে, কেননা ওপর মহলের এই আদর্শিক চাপ ইসরাইল-গাজা যুদ্ধের কাভারেজকে একপাক্ষিক করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ মোকাবিলা করছে ইসরাইল, যেখানে এ পর্যন্ত অন্তত ৭২ হাজার ৫৯৯ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজার ৪১১ জন আহত হয়েছেন।
ডফনার অবশ্য তার অবস্থানে অনড়। তিনি ইসরাইলকে সমর্থন করাকে তার কোম্পানির পাঁচটি মূল নীতির অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা, মুক্ত বাজার ও বাকস্বাধীনতা। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি এই নীতিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তবে এটি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত। যারা আমাদের এই বিশ্বাসের সঙ্গে একমত নন, এক্সেল স্প্রিঞ্জার তাদের জন্য সঠিক জায়গা কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
জার্মানির রুপার্ট মারডক হিসেবে পরিচিত ডফনারের পূর্বের কর্মকাণ্ডও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত বছর একটি ফাঁস হওয়া ইমেইলে তিনি নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাস সংক্ষেপে লিখেছিলেন, ‘জায়নবাদ সবার উপরে। ইসরাইল আমার দেশ।’ জার্মানিতে ‘উবার অ্যালেস’ (সবার উপরে) শব্দবন্ধটি অত্যন্ত বিতর্কিত, কারণ নাৎসি আমলে জাতীয় সংগীতে এটি ব্যবহার করা হতো। গত অক্টোবরে ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ ডফনারকে সম্মানসূচক পদক প্রদান করেন।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেইনরিখ ক্লাসেনের সিদ্ধান্তে অবাক হননি-টা কে? বয়স ৩৩, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মাত্র ৭ বছর, ফর্মেরও চূড়ায়। গত বছরের জুন মাসে এমন অবস্থায়ই দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিকে বিদায় জানিয়ে দেন তিনি। পরিবার ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সময় দিতে তিন ফরম্যাট থেকে অবসর নেন।
ক্লাসেন দেশের হয়ে ৬০টি ওয়ানডে ও ৫৮টি টি-২০ খেলেছেন। ওয়ানডেতে ২১৪১ ও টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ রান করেছেন। ৪ টেস্টে রান ১০৪। অবসরের পরেও ক্লাসেন ফর্ম ধরে রেখেছেন। এই সময়ে ৩৮টি টি-২০ খেলে ১৪৫ স্ট্রাইকরেটে ৯৬৬ রান করেছেন তিনি।
চলতি আইপিএলে ৯ ম্যাচেই করেছেন ৪১৪ রান, স্ট্রাইকরেট ১৫৭। গতকালই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ২৪৪ রান তাড়ায় ৩০ বলে ৬৫ রান করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি, শেষ পর্যন্ত ছিলেন অপরাজিত।
আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে। জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াকে নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে তারা। এই আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা কি রেড হট ফর্মের এই ব্যাটারকে মিস করবে না? ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেন বলেছেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রোটিয়াদের উচিত আজই ক্লাসেনকে কল করা। অবসর ভাঙার ব্যাপারে অনুরোধ করার আহ্বান তার।
এক্সে পিটারসেন লেখেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা কখনও ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিততে পারেনি! আজ সকালে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে হেইনরিখ ক্লাসেনকে ফোন করা উচিত, তাকে জিজ্ঞাসা করতে যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসে তাদের হয়ে কেন্দ্রীয় ভূমিকা নিতে পারবেন কি না। যাতে তারা আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের চেষ্টা করতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের গৌরনদীতে একদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪ জন।
আহতরা গৌরনদী উপজেলার টরকী, বিল্বগ্রাম, শাওড়া, সুন্দরী, বার্থী, কটকস্থল, বাউরগাতি, মাগুরাসহ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের রেজিস্ট্রার থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কুকুরের কামড়ে আহতরা হলেন- কটকস্থল গ্রামের সুমন তালুকদারের সাড়ে পাঁচ বছরের মেয়ে আবিদা, একই গ্রামের আল-আমিনের তিন বছরের ছেলে আয়াত, মিঠু সরদারের আট বছরের মেয়ে লাইজু, ইউনুস প্যাদার মেয়ে মুনা (২২), ইয়াছিন মিয়ার চার বছরের মেয়ে তাইয়েবা, মোনতাজ হোসেনের স্ত্রী জোলেখা বেগম (৪০), সুন্দরদী গ্রামের সামছুল আলমের মেয়ে মাসুদা বেগম (৩৬), একই গ্রামের রাজিব ঘরামীর সাড়ে তিন বছরের মেয়ে খাদিজা, টরকী এলাকার ভরদ দাসের মেয়ে শিউলী (৩৩), উত্তর বাউরগাতি গ্রামের শাহজাহানের মেয়ে পারুল বেগম (৫০), পশ্চিম বাউরগাতি গ্রামের লিখন প্যাদার ছেলে আবু বক্কর (১২), শামীম ঘরামীর সাত বছরের মেয়ে সামিয়া, বড় দুলালী গ্রামের মজিবর সিকদারের ছয় বছরের ছেলে নবীন, পাশ্ববর্তী আগৈলঝাড়া উপজেলার মাগুরা গ্রামের ইসমাইল বেপারীর ছেলে সবুজ বেপারী (৩২)।
সেই একই দিনে বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকার গোপাল কুন্ডুর ছেলে মিটুল কুমার কুন্ডু (২৯)।
গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সমিরন হালদার জানিয়েছেন, আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ