প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্সের পাঠদানকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ৯০০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করবে। এই মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণের জন্য ৯০ জন কোর ট্রেইনার প্রস্তুত করা হবে। কোর্সটির কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণসামগ্রী ভ্যালিডেশন সম্পন্ন হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে এ বিষয়ে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের রোলআউট পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ক্যালেন্ডার ও সময়সূচি, প্রশিক্ষক নির্বাচন, বাজেট, প্রশিক্ষণ এলাকা নির্ধারণ এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ‘Applied ICT Master Trainer’ ও ‘In-House Teacher Training’-এর কনসেপ্ট নোট নিয়েও আলোচনা করা হয়।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি ব্লেন্ডেড লার্নিং পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। কোর ও মাস্টার ট্রেইনারদের অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করার পর পাঁচ দিনব্যাপী সরাসরি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে।
ইতোমধ্যে প্রথম বর্ষে ৯০ জন কোর ট্রেইনার ও ৮৪০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া ইন-হাউস প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২ হাজার ৫০০ শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় ইন-হাউস প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য বাজেট, কোর ও মাস্টার ট্রেইনারদের চূড়ান্ত তালিকা এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সহজভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন জোন ও ম্যাপিং এলাকা নির্ধারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্সের পাঠদানকে আরও কার্যকর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই প্রশিক্ষণ কলেজ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এতে শিক্ষকেরা প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন এবং শিক্ষার্থীরাও শ্রেণিকক্ষে অ্যাপ্লাইড আইসিটির ব্যবহারিক দিকগুলো ভালোভাবে শেখার সুযোগ পাবে।
সভায় ইউনিসেফের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ফাহমিদা শবনম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. আশেক কবির চৌধুরী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন