প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের সাত বছরের কারাদণ্ড দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছে। ২০২৪ সালে জারি করা বিতর্কিত সামরিক আইন এবং এর পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অপরাধে দেওয়া এ সাজার বিরুদ্ধে করা আপিল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয়া হয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির টেলিভিশনে সম্প্রচারিত রায়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি বলেন, "সকল আপিল খারিজ করা হলো। পূর্ববর্তী আদালতের রায়ের কোনও আইনি ব্যাখ্যা নিয়ে কোনও ভুল বোঝাবুঝি হয়নি।"
রায়ের পর ইউন সুকের আইনজীবীরা গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, পর্যাপ্ত পর্যালোচনা ছাড়াই সুপ্রিম কোর্ট এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। ইউনের এক আইনজীবী বলেন, "আমরা সাংবিধানিক অভিযোগসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে এই রায়ের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করব।"
চলতি আগস্টের জানুয়ারিতে একটি নিম্ন আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নিজের গ্রেফতার ঠেকাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ব্যবহার করার অভিযোগে ইউন সুককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে আপিল আদালত সেই সাজা বাড়িয়ে সাত বছর করেন।
এদিকে, বিতর্কিত সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার পৃথক মামলায় তিনি ইতোমধ্যেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। ইউন সুকের দাবি, সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্তটি জনস্বার্থে নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালত বলেছে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ, যার ফলে বিপুল সামাজিক ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়া, উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে আরেক মামলায় তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। ইউনের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টাকে যৌক্তিক প্রমাণ করার উদ্দেশ্যেই ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। সূত্র: ডয়েচে ভেলে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন