প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সফরের গোপন তথ্য ফাঁস করার দায়ে তার নিরাপত্তার দায়িত্বরত এক সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, ভ্যান্সের ব্যক্তিগত সফরের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা রীতিমতো ‘বিরক্ত’ হয়ে উঠেছিলেন। ওই কর্মী মূলত এমএস নাউ-এর কাছে এই তথ্য ফাঁস করেছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ক বিভাগ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। তবে অভিযুক্ত ওই এজেন্টের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না, বা ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
ফাঁস হওয়া তথ্যে জানা গেছে যে, একবার গলফ শেখার আবদারে ভ্যান্স তার শিশুসন্তানকে নিয়ে ‘মেরিন টু’ হেলিকপ্টারে ওয়াশিংটন ঘুরে আসার প্রস্তাব করেছিলেন। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়, যা এজেন্টদের হতবাক করে দেয়। এছাড়া ছিদ্র করা তথ্য অনুযায়ী, নতুন বাড়ির খোঁজার জন্য স্ত্রী উষা ভ্যান্সকে নিয়ে একাধিকবার তিনি ওই হেলিকপ্টারে ভার্জিনিয়ার মিডলবার্গে গিয়েছিলেন। পেন্টাগনের হিসাবে, হোয়াইট হাউসের সামরিক শাখার অনুমোদন নিয়ে চলা এই হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে করদাতাদের প্রতি ঘণ্টায় ১৬ হাজার থেকে ২৪ হাজার ৬০০ ডলার পর্যন্ত খরচ হয়।
তবে ভ্যান্সের একজন মুখপাত্র কোন প্রকার অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানান, সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের সেবায় তারা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।
অন্যদিকে, অনুমতি ছাড়া সংবাদমাধ্যমে তথ্য ফাঁসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। চলতি মাসেই নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ বিমানের নিরাপত্তা সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর নিউইয়র্ক টাইমসের কয়েকজন সাংবাদিককে তলব করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, তাদের লক্ষ্য সাংবাদিকরা নয়, বরং যারা তথ্য ফাঁস করছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন