প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাছ আমাদের পরিবেশের প্রাণ। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রয়োজন, যা গাছ সরবরাহ করে। সুতরাং আমাদের সবার বেশি করে গাছ লাগানো উচিত। একটি সুন্দর এবং বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার জন্য গাছের বিকল্প নেই। প্রকৃতি আমাদের জীবনের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে সবুজের ছোঁয়ায় মন স্বাভাবিকভাবে শান্ত হয়ে ওঠে।
প্রকৃতি তার নিজস্ব রূপ ও লাবণ্যে আমাদের চারপাশকে সাজিয়ে রেখেছে। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে আমরা বারবার প্রকৃতির কাছে ফিরে যাই। বন ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষিত হলে পৃথিবী বাঁচবে, এই বিশ্বাস থেকে লক্ষাধিক চম্পা ফুল গাছ লাগিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৪ প্রাপ্ত রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কৃতি সন্তান পরিবেশবিদ সবুজ চাকমা।
আজ বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট-২০২৬ পাহাড় ও সমতলে 'সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান' গড়ে তোলার লক্ষ্যে চন্দ্রঘোনা ১১ নং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ১৮৮০ সালে রাজা ভূবণমোহন রায় কর্তৃক নির্মিত ভূমিদাতা শুভংকর বড়ুয়া (মহুরী) পূর্ণনির্মাণ ২০০৯ ঐতিহ্যবাহী কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহার প্রাঙ্গন ও সড়কের দুই পাশে রোপনের জন্য ফলজ, ফুল, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা বিতরণ ও রোপন করেছেন রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা।
বিহারের সড়কের দুই পাশে লাগানোর জন্য গাছের চারাগুলোর মধ্যে রয়েছে: চম্পা ফুল, চাপালিশ, তেলশুর, তেতুল, সিভিট, বিলাতি গাব, অর্জুন, জারুল, সোনালু, নিম, কৃষ্ণচুড়া, আমলকি, রাধাচুড়া, বহেরা, হরতকি, কাজু বাদাম, মেহগুনি, সজিনা, বেল ও ড্রাগন ইত্যাদি চারা।
এ সময় কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহার অধ্যাক্ষ দীপংকর মহাথেরো, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা, স্থানীয় দায়ক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সবুজ চাকমা বলেন, পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগিয়ে নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টি করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা প্রত্যেক পাঠক নাগরিকের জন্য দায়িত্ব। তিনি সকলকে সবুজ বনায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন