প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বারা ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিতের নীতি বাতিল করে দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। রায়ে বলা হয়েছে যে, এ নীতির বাস্তবায়নে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার, ২১ আগস্ট, নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের বিচারক জেনেট ভার্গাস এ নীতি বাতিল করে রায়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নীতিটি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ এবং ফেডারেল অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। উল্লেখ্য, ওই আইনে অভিবাসী ভিসা আবেদনের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে।
রায়ে বিচারক ভার্গাস লিখেছেন, ‘আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা প্রদান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা এই নীতিটি আইন দ্বারা নির্ধারিত ব্যবস্থাকে সরাসরি অগ্রাহ্য করেছে।’ তবে বিচারকের এই রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া ওই স্থগিতাদেশের আওতায় ছিল লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া; দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আরও অনেক দেশ।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায় যে, এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ‘সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি’ রয়েছে এবং তারা স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল সরকারের সম্পদের ওপর নির্ভর করতে পারেন।
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাম্প ব্যাপক অভিবাসনবিরোধী পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং তার দাবি হচ্ছে যে, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা।
সেন্টার ফর কনস্টিটিউশনাল রাইটস জানায়, এই ভিসা স্থগিতাদেশ ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রুত নেয়া বেশ কয়েকটি অভিবাসন বিধিনিষেধের একটি। এর পূর্বে ১ জানুয়ারি থেকে ৩৯টি দেশের নাগরিকদের ওপর আরও বিস্তৃত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছিল। এছাড়াও, গত বছরের ডিসেম্বরের শেষদিকে ডাইভারসিটি ভিসা প্রদানও স্থগিত করা হয়েছিল।
অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করে আসছে যে, এসব পদক্ষেপ বাক্স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করছে এবং বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের মধ্যে জাতিগত প্রোফাইলিং নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন