প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে দুই দলই শেয়ানে শেয়ানে লড়ছে। শেষ হয়েছে প্রথমার্ধ। প্রথম ৪৫ মিনিটকে উত্তেজনায় ঠাসা বললেও ভুল হবে না, কারণ কোনো দলই গোল আদায় করতে পারেনি।
এই ম্যাচকে ফাইনালের আগের ফাইনাল বললে যেন ভুল হবে না হয়তো। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে পরস্পরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে স্পেন ও পর্তুগাল।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেন ও পর্তুগাল ফুটবল দল। ম্যাচের ১২ মিনিটেই দুদল অন ও অফ টার্গেটে শট নিয়েছে মোট সাতটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটে স্পেন লিড পেয়ে যেতও। বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ওইয়ারজাবাল। তার সামনে ছিল কেবল পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। কিন্তু ওইয়ারজাবালের নেওয়া শটটি লক্ষ্যে ছিল না। সাইডবারের পাশ দিয়ে চলে যায় বলটি। সে যাত্রায় পর্তুগাল বেঁচে যায়।
পরক্ষণেই আক্রমণে উঠে পর্তুগাল। বুলেট গতির এক শট নেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু বীরত্বের সঙ্গে শটটি কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। তিন মিনিট পর ডাবল সেভ করেন পর্তুগালের গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে দলগত আক্রমণ করে পর্তুগাল। কিন্তু ডানপ্রান্ত থেকে সতীর্থদের দেওয়া ক্রসে হেড করেন জোয়াও ফিলিক্স। সেটি ফিরিয়ে দেন উনাই সিমন। সাথে সাথেই কৌশলগত এক টোকা দিয়েছিলেন রোনালদো। এবারে বাজপাখির মতো উড়ে এসে বল তালুবন্দী করেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক।
তিন মিনিট পর দুর্দান্ত এক শট নেন নুনো মেন্ডিস। স্পেনের রক্ষণভাগের কল্যাণে সে যাত্রায় রক্ষা মেলে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন