প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তির সম্ভাবনা জোরালো হলেও লেবাননে থামেনি ইসরাইলের বর্বরতা। দেশে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ২৪টি শহর ও গ্রামে বসবাসকারী মানুষের অবিলম্বে ঘর ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালেও লেবাননে চলমান রয়েছে ইসরাইলি হামলা। স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ জুন) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন শহর ও গ্রামে বিমান, ড্রোন হামলা এবং গোলাবর্ষণ চালায় নেতানিয়াহু বাহিনী। নাবাতিয়েহ, টাইর, মারজাইউন, সাইদা ও বিনতে জবেইলের এলাকায় অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। ধ্বংস হয়েছে বাড়িঘর এবং সরকারি স্থাপনা।
এছাড়া, ২৪টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের ঘর ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে হামলাকারীদের পক্ষ থেকে।
জবাবে, সীমান্তের কাছে ইসরাইলি সামরিক যান ও একটি কমান্ড সেন্টারে হামলার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যবহার করে হিজবুল্লাহ। অন্যদিকে, ইসরাইলের দাবি, গত এক সপ্তাহে তারা হিজবুল্লাহর সাত যোদ্ধাকে হত্যা করেছে এবং একদিনে সংগঠনটির ৭০টির বেশি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
চলমান সংঘাতের মধ্যেই আগামী ২২ জুন ওয়াশিংটনে নতুন দফা আলোচনায় লেবানন এবং ইসরাইল বসতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সীমান্তবর্তী একটি ‘পাইলট জোন’ থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আলোচনা হবে।
এদিকে আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, লেবাননের ভেতরে ইসরাইলের বাফার জোন তৈরি করার মূল উদ্দেশ্য হিজবুল্লাহকে প্রতিহত করা না, বরং অঞ্চলটির গ্যাসের মজুত দখল করা।
প্রতিবেদনে বিশ্লেষকরা জানান, লেবাননের উপকূলে সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর মাধ্যমে বৈরুতের তেল ও গ্যাসের মজুত নিয়ন্ত্রণের ষড়যন্ত্র করছেন নেতানিয়াহু।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন