প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া এবং সম্প্রতি দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনের নামে কড়াকড়ি ও গণগ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে দায়ের করা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে শুরু হয়েছে। শুনানিটি পরিচালনা করছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।
ভোটার তালিকা থেকে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ দমন করতে মেট্রো চলাচল সীমিত করা, ইন্টারনেট বন্ধ রাখা এবং আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের দমনপীড়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা এবং বিভিন্ন সংগঠন সুপ্রিম কোর্টে একাধিক রিট ও আবেদন দাখিল করেন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) শুনানিকালে আদালত কেন্দ্র সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে এ বিষয়ে জবাব তলব করেছে এবং সমস্ত মামলাকে মূল মামলার সাথে সংযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, দিল্লির সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও ধরপাকড় সংক্রান্ত সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। শুনানিতে আদালত কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর গত ১২ অক্টোবরের কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করে এ বিষয়ে তাকে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে, বিরোধী শিবির অভিযোগ করেছে যে পরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের বাদ দিয়ে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আদালত এই মামলায় নাগরিকের প্রতিবাদের অধিকার এবং জনশৃঙ্খলা ও আদালতের কার্যপরিধি রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রমের দিকে এখন পুরো দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন