প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান মার্কিন হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি তেল ট্যাঙ্কারের। বুধবার (৩ জুন) ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে একটি জাহাজে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে বলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন।
ইরানের দাবি, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে এবং বেসামরিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে সমস্ত ঘাঁটি ব্যবহার করছে, তার ওপরেই এই জোড়া হামলা পরিচালিত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক এবং নিষ্পত্তিমূলক জবাব দেওয়া হবে।
তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধ চাপিয়ে যা সম্ভব হয়নি, তা কখনোই আরও বড় যুদ্ধ বাধিয়ে জেতা যাবে না। এই বিবৃতির পাশাপাশি তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন, যেখানে রুবিওকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের সহযোগিতার প্রশংসা করতে দেখা যায়।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের দিকে অগ্রসর হওয়া বতসোয়ানার পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাঙ্কারে মার্কিন সামরিক বাহিনী হেলফায়ার মিসাইল ছুড়ে সেটিকে অচল করে দেয়। এই ঘটনার পরই বুধবার ভোরে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন