প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলাবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের একটি দিন ছিল, কারণ বরেণ্য শিল্পী মুনসুর উল করিমের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে।
আজ শনিবার সকালে শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহযোগিতায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বলেন, দেশের বরেণ্য এই শিল্পীর সৃজনশীলতার অবদান দেশের নানা স্থানে সুস্পষ্ট। তিনি শুধু রাজবাড়ীর নয়, বরং সমগ্র দেশের জন্য গর্বের একজন ব্যক্তি। এই ক্ষণজন্মা গুণী মানুষটির জন্ম রাজবাড়ীতে হওয়ায় জেলাবাসী অত্যন্ত গর্বিত। তিনি আরও জানান, যদি তিনি জীবিত থাকতেন, তাহলে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হতো।
তিনি উল্লেখ করেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী মুনসুর উল করিমের জন্মবার্ষিকীতে আমরা তাঁর আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করি। রাজবাড়ী জেলা দেশের সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি নেতা এবিএম মঞ্জুরুল আলম দুলাল, সাহিত্যিক সালাম তারিফ, সাইয়েদ সিদ্দিকুর রহমান, আজিজা খানম, জেলার অন্যান্য বরেণ্য শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, লালন স্মৃতি সংসদের সদস্য এবং সংস্কৃতি প্রেমী ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তাগণ মুনসুর উল করিমের শিল্পকর্ম, কর্মজীবন ও দেশের শিল্পাঙ্গনে তাঁর অসামান্য অবদান স্মরণ করেন। তারা জানান, তাঁর সৃষ্টিকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বক্তাগণ শিল্পীর শিল্পচর্চা ও সৃজনশীল দর্শন সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করানোর উপরও গুরুত্বারোপ করেন।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়, এবং পরে জন্মদিনের কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে...
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন