প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের বড়ইচারা গ্রামের হাজারো মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল একটি কাঁচা রাস্তার বেহাল দশার কারণে।
শিকজান বাজার সড়ক থেকে গ্রামটির আফজাল মন্ডলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এই কাঁচা রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক রয়েছে। রাস্তাজুড়ে বড় বড় খানাখন্দ বিদ্যমান। শুষ্ক মৌসুমে এই রাস্তা ধুলায় আচ্ছন্ন থাকে এবং বর্ষাকালে এটি কাদাপানিতে পরিণত হয়। তখন পায়ে হেঁটে চলাচল করাও হয়ে পড়ে অত্যন্ত দুস্কর।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুষ্ক মৌসুমে ধুলা আর খানাখন্দের কারণে ভোগান্তির পাশাপাশি বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমার ফলে রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের জন্য অযোগ্য হয়ে যায়। এর ফলে এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে এবং জরুরি অবস্থায় অসুস্থ রোগীকে উপজেলা বা জেলা সদরে নিয়ে যেতে চরম বেকায়দায় পড়তে হয়। এর ফলে তাদের ভোগান্তির সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এলাকার মানুষজন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আসা-যাওয়া সহ বিভিন্ন প্রয়োজনের জন্য এই রাস্তা ব্যবহার করে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বুধবার (৫ আগষ্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাস্তাটি পাকা হয়নি বলেই তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। পথচারীদের চলাচল এবং কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করায় চরম সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বড়ইচারা গ্রামের কৃষক মিজান মন্ডল বলেন, "এই কাঁচা রাস্তার কারণে আমাদের ফসল নিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ক্ষেতের ফসল হাট-বাজারে নিতে পারি না। ভ্যান-নছিমন আসতে চায় না এবং আসলেও অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়। মাঝে মাঝে মালামালসহ ভ্যান উল্টে মালের ক্ষতি হয়। তাই এই কাঁচা রাস্তাটি দ্রুত পাকা করা হলে আমাদের জন্য ভালো হতো।"
এলকাবাসীর দাবি, রাস্তাটি দ্রুত পাকাকরণ করা হলে এ অঞ্চলের হাজারো মানুষের চলাচলে সুবিধা হবে পাশাপাশি কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন