প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে প্রাই দুই মাস ধরে চলা বিক্ষোভের ফলে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি স্থানীয় সময় শনিবার (২০ জুন) এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেন।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভটিতে শ্রমিক ইউনিয়ন ও কৃষক সংগঠনের সমর্থন নিয়েছে সাবেক বামপন্থি প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট পাজের পদত্যাগের দাবি করেছেন। টানা সড়ক অবরোধের কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য, জ্বালানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ৫০ দিনে এই অবরোধ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কার্যত স্থবির করে দিয়েছে।
জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট পাজ জানান, দেশের সড়কপথ মুক্ত করার জন্য তিনি জরুরি অবস্থার কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন। বলিভিয়ার জনগণ এভাবে অবরোধের জিম্মি থাকতে পারে না। তিনি বলেন, "এটা তাদের কাজ, পড়াশোনা, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ এবং পরিবারের জন্য জীবিকা নিশ্চিত করতে বাধাগ্রস্ত করছে।"
জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেওয়ার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা মোতায়েনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। সরকার আশা করছে যে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে স্বাভাবিক জনজীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ফিরে আসবে।
তবে বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে আসছেন। তাদের বক্তব্য, অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার কারণেই জনগণ রাস্তায় নেমেছে এবং সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন