প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্স প্রথমার্ধের চরম হতাশা এবং ছন্নছাড়া ফুটবল ভুলে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিলিয়ান এমবাপ্পের দারুণ গোলে সেনেগালের বিপক্ষে লিড নিতে সক্ষম হয়েছে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
নিউ জার্সির মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স তাদের পরিচিত ছন্দের ধারেকাছেও ছিল না। কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং উসমান দেম্বেলের মতো তারকাদের নিয়ে গড়া দলে বোঝাপড়ার ঘাটতি স্পষ্ট ভাবে লক্ষ্যণীয় ছিল। উল্লেখযোগ্য প্রথমার্ধের মধ্যে ফ্রান্স সেনেগালের গোলপোস্টে কোনো শটই রাখতে পারেনি। উল্টো ২৫ মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে না লাগলে আফ্রিকার পরাশক্তিরা লিড নিয়ে বিরতিতে যেতে পারত।
প্রথমার্ধের বিরতির পর ফ্রান্স সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে মাঠে নামে। তারা আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে ম্যাচের ৬৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাইকেল ওলিসের রক্ষণচেরা অ্যাসিস্ট থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন গোল করে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যান এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে ফ্রান্সের পক্ষে নিজের ৫৭তম গোলটি করে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছুঁয়ে ফেলেছেন এমবাপ্পে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা ১৩-এ নিয়ে গিয়ে মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের রেকর্ড ছোঁয়ার আরও কাছে পৌঁছে গেলেন তিনি।
ম্যাচের এক পর্যায়ে এমবাপ্পেকে বক্সের ভেতর ট্যাকল করলে সাদিও মানে পেনাল্টির আবেদন ওঠে। রেফারি প্রথমে সাড়া না দিলেও পরে ভিএআর যাচাই করেন, তবে ফরাসিদের পক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত আসেনি।
ফ্রান্স পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া সেনেগাল আক্রমণ করার চেষ্টা করলেও ফরাসি রক্ষণভাগ তা এখন পর্যন্ত সামাল দিতে সক্ষম হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ম্যাচের বাকি সময়ে এই ব্যবধান ধরে রেখে ফ্রান্স জয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারে, নাকি সেনেগাল ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন