প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলে গেলেন ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ। শেষবারের মতো তোফায়েল আহমেদের মরদেহ দেখার জন্য অনেকেই অপেক্ষা করেছেন। এ সময় বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করতে দেখা যায় তাঁদের।
মহানগর ডেস্ক
সোমবার (১ জুন) বেকেল সাড়ে ৩টায় ৮২ বছর বয়সে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবরে অনেক রাজনীতিবিদ, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা ছুটে আসেন।
প্রথম দফায় বাদ মাগরিব জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে। জানাজায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। জানাজার পরে তাঁরা স্মৃতিচারণ করেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তোফায়েল আহমেদের নাতনি দেশের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমি তার ভাগিনার মেয়ে হই। তিনি লাখ লাখ মানুষের উপকার করে গেছেন।’
সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, ‘যখন তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে লিখেছি, তখন তার সহনশীলতা দেখেছি। তিনি প্রতিহিংসা দেখাননি। সেটা আমি আজীবন মনে রাখব।’
এক শুভানুধ্যায়ী মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদ উজ্জ্বল নক্ষত্র। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান মানে তোফায়েল আহমেদ। ৭০-এর নির্বাচনেও তার গুরুত্ব অপরিসীম। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার গুরুত্ব গৌরবময়। দেশের জন্য যত আন্দোলন হয়েছে, সবগুলোতে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।
আরও কয়েকজন শুভানুধ্যায়ী জানান, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যতটুকু মর্যাদা পাওয়ার, সেটাই আমরা সরকারের কাছে প্রত্যাশা করব।’
ধানমন্ডিতে জানাজার পরে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। হেলিকপ্টারযোগে মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে মরদেহ ভোলায় নেয়া হবে। বাদ জোহর ভোলা সরকারি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং কোড়ালিয়া গ্রামে মায়ের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন