প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের ভালুকায় দুটি পৃথক ঘটনায় আত্মহত্যার কারণে মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (২৯ জুলাই) কাচিনা ইউনিয়ন এবং রাজৈ ইউনিয়নে এই ঘটনার উদ্ভব ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন, কাচিনা ইউনিয়নের তামাট গ্রামের রফিকুল ইসলামের ১৪ বছরের মেয়ে নবম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী রাকিবা ইসলাম এবং অন্যজন হলেন, রাজৈ ইউনিয়নের সোহাল গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ২৩ বছরের ছেলে মো. রিফাত।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, কাচিনা ইউনিয়নের তামাট গ্রামের এক স্কুলছাত্রী রাকিবা ইসলাম দুপুর ১২টার দিকে ইঁদুর মারার ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ভালুকা মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ ওয়াছিম উদ্দিন জানিয়ে দেন, “আমরা খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করি।”
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিহত স্কুলছাত্রী রাকিবা ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করা হয়েছে।
অন্যদিকে, রাজৈ ইউনিয়নের সোহাল গ্রামের যুবক রিফাত মঙ্গলবার রাতে নিজ ঘরে বিষ পান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মা সেলিনা খাতুন যখন তার ছেলের প্রয়োজনায় ঘরে প্রবেশ করেন, তখন রিফাত বিষক্রিয়ায় ছটফট করছিলেন। সেলিনার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, “আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং কোতোয়ালি মডেল থানায় বার্তা প্রেরণ করেছি।” তিনি আরো জানান, “ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন