প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমার চাঁদ এখন আকাশে দেখা যাচ্ছে। চমৎকার এবং অপরূপ এই চাঁদের নাম ‘স্ট্রবেরি মুন’ রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতেও এই সুন্দর চাঁদ টিকে আকাশে আলোকিত করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন সময় (ET) অনুযায়ী, সোমবার রাত ৭টা ৫৭ মিনিটে চাঁদটি সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল ছিল। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী সেই সময়টির অবস্থা ছিল আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫৭ মিনিট। তখন এটি তার সর্বোচ্চ আলো ছড়িয়েছে এবং আজ মঙ্গলবার রাতে রাতের আকাশে এই চাঁদের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে।
উত্তর গোলার্ধে, এই চাঁদটি এ বছরের সবচেয়ে নিচু পথ ধরে আকাশে উঠবে। দক্ষিণ গোলার্ধে এটি সবচেয়ে উঁচু পথ ধরে চলবে। এবারের ‘স্ট্রবেরি মুন’ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করছে, এজন্য বিজ্ঞানীরা একে ‘মাইক্রোমুন’ বলছেন। এটি ২০২৬ সালের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম চাঁদ হিসেবে পরিচিত। তবে চাঁদটি কিছুটা ছোট হলেও খালি চোখে এই পার্থক্য খুব একটা ধরা পড়ে না।
চাঁদটি ভালোভাবে উপভোগ করার জন্য বিজ্ঞানীরা একটি পরিষ্কার এবং অন্ধকার জায়গা বেছে নিতে বলেছেন। তারা জানিয়েছেন, বড় দালান বা গাছপালার বাধা নেই—এমন জায়গা থেকে চাঁদটি সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে।
চাঁদের এই ‘স্ট্রবেরি’ নামটি আমেরিকার আদিবাসী আলগনকুইন উপজাতির দেওয়া। কারণ, বছরের এই সময় তারা স্ট্রবেরি বা বেরি জাতীয় ফল ঘরে তুলত। তাই চাঁদের এমন নামকরণ করা হয়েছে।
অনেকেই ভাবতে পারেন চাঁদের রঙ হয়তো পরিবর্তিত হয়। আসলে, চাঁদটির আসল রঙ কখনো বদলায় না। সূর্যের আলো চাঁদে পড়ে পৃথিবীতে আসার সময় আমাদের বায়ুমণ্ডল পার হয়ে যায়। বায়ুমণ্ডলের অবস্থা ও বায়ু দূষণের কারণে আমাদের চোখে চাঁদের রঙে পরিবর্তন নজরে আসে।
সামনেই নাসার ‘আর্টেমিস’ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে আবার মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তাই চাঁদ দেখা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখা দিয়েছে। এ বছরে আরও ছয়টি পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যাবে। বাকি পূর্ণিমাগুলো হলো: ২৯ জুলাই: বাক মুন, ২৮ আগস্ট: স্টারজন মুন, ২৬ সেপ্টেম্বর: হারভেস্ট মুন, ২৬ অক্টোবর: হান্টারস মুন, ২৪ নভেম্বর: বিভার মুন এবং ২৩ ডিসেম্বর: কোল্ড মুন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন