প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা বর্ষণ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে প্লাবিত হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নেমে যেতে শুরু করেছে। এটি একটি আশার সংবাদ, কারণ বন্যার আশঙ্কা অনেকটাই দূর হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের জেরে উপজেলার মোগড়া, মনিয়ন্দ, দক্ষিণ ও ধরখার ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। এতে সীমান্তবর্তী অনেক বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও স্থলবন্দর এলাকার কয়েকটি অফিসে পানি ঢুকে পড়ে। আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও কাস্টমস হাউস এলাকায়ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিল, যা সত্যিই সমস্যা সৃষ্টি করেছিল।
তবে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) থেকে বৃষ্টিপাত কমা শুরু করে এবং উজান থেকে পানির প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার কারণে দ্রুত পানি নেমে যেতে শুরু করেছে। বর্তমানে অধিকাংশ এলাকায় জমে থাকা পানি সরে গেছে। বাড়িঘর ও সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন ফিরতে শুরু করেছে।
আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর সড়কে যান চলাচল ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এর পাশাপাশি, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও কাস্টমস হাউসের কার্যক্রমেও কোনো বিঘ্ন নেই। যদিও যেসব এলাকায় পানি প্রবেশ করেছিল, সেখানে বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানিয়েছেন, পাহাড়ি ঢলের পানি অধিকাংশ এলাকা থেকে নেমে গেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং কোথাও নতুন করে পানি বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের আশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং নতুন করে ভারী বর্ষণ না হলে বন্যার শঙ্কা আর থাকবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন