প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অধিগ্রহণের টাকা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ভূমি মালিকরা তালা দিয়েছেন সিলেটের জকিগঞ্জ গ্যাসফিল্ডের প্রধান ফটকে। সোমবার দুপুরে ভূমি মালিকরা তালা দেন।
জানা গেছে, গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কারের প্রায় ১০ বছর পার হতে চললেও এখনো অধিগ্রহণের টাকা পাননি ভূমি মালিকরা। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের দিকে বাপেক্স জকিগঞ্জ পৌর এলাকার আনন্দপুর এলাকায় গ্যাসের সন্ধান পায়। পরে গ্যাসক্ষেত্রের জন্য ওই এলাকার প্রায় সোয়া ৫ একর (১৬ কেদার) ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়।
সেই সময়ে, ভূমির মূল্য পরিশোধ না করে গ্যাসক্ষেত্রের কার্যক্রম শুরু করলে মালিকরা বাধা দেন। পরবর্তীতে দ্রুত সময়ের মধ্যে অধিগ্রহণকৃত ভূমির মূল্য পরিশোধ ও যোগ্যতা অনুযায়ী স্থানীয়দের চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে খননকাজ শুরু হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পরেও মূল্য পরিশোধ না করায় সোমবার মালিকরা গ্যাসক্ষেত্রের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এ সম্পর্কে জকিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ফারুক আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে অধিগ্রহণের পর গ্যাসক্ষেত্রের কাজ শুরুর সময়ই ভূমির মালিকরা বাধা দেন। পরে জাতীয় স্বার্থের কথা চিন্তা করে এবং গ্যাসক্ষেত্রে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের শর্তে ভূমি মালিকদের বুঝিয়ে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়। কিন্তু এরপর থেকে ভূমির মালিকদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা টালবাহানা শুরু হয়।
ভূমির মালিকপক্ষের প্রতিনিধি ও জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ইকবাল আহমদ তাপাদার বলেন, অধিগ্রহণের দীর্ঘদিন পর ২০২৪ সালে ভূমির নামমাত্র মূল্য নির্ধারণ করে জেলা প্রশাসন। কিন্তু বাজারদর না পেলে আমরা আমাদের জায়গা ছাড়ব না। এর আগপর্যন্ত গ্যাসক্ষেত্রটি তালাবদ্ধ থাকবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি আজকেই যোগদান করেছি। বিষয়টি খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে এখন পর্যন্ত গ্যাসফিল্ড কর্তৃপক্ষ আমাকে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন