প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তবে হামলায় কোনও হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে আরব আমিরাত।
আজকের এই হামলার খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম (ডব্লিউএএম)।
ওয়ামের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির অধীনস্থ একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলার পর জাহাজটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
সংবাদ সংস্থাটি জানায়, “হামলায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটে নি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।”
তবে জাহাজটির নাম, হামলায় কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা কোথা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষিপ্ত হয়েছে- এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ঘটনাটি ঘটে তখন, যখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তীব্র।
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পণ্য পরিবহন করা হয়। এই কারণে, যদি এই জলপথে কোনো জাহাজ হামলার শিকার হয় তবে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও তেলবাজারের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান। তাই প্রতিষ্ঠানটির জাহাজে হামলার ঘটনাটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত হামলার দায় কোন পক্ষ বা সংগঠন স্বীকার করেনি। হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সেটিও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকেও হামলার উৎস বা সম্ভব হলে হামলাকারী সম্পর্কে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জাহাজটি হামলার পর স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে কি না তথা এর কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। কারণ, এই জলপথে সামান্য সময়ের জন্যও জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন