প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের স্ত্রী কিম কন-হিকে দুর্নীতির একাধিক মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে সিউলের একটি আদালত।
শুক্রবার, ২৬ জুন, সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের এ রায় ঘোষণার সময় জানানো হয়েছে যে, কিম বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করেছেন, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল এবং সরকারি পদ দেয়ার বিনিময়ে মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
এসব দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের দায়িত্বে থাকা মিন জুং-কির দল দাবি করেছে, কিমের বিরুদ্ধে সরকারের পদে লোক নিয়োগের জন্য উচ্চমূল্যের গয়না ও বিলাসবহুল সামগ্রীর বিনিময়ে সাড়ে সাত বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিল। তবে কিম কিউনের আইনজীবীরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে একটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিম একটি মূল্যবান নেকলেস, ব্রোচ ও এক জোড়া কানের দুল গ্রহণ করেন। এর বিনিময়ে ওই ব্যবসায়ীর বড় জামাতাকে একটি সরকারি পদে নিয়োগ দেয়া হয়।
এর পাশাপাশি, ২০২২ সালের এপ্রিলে সাবেক একটি শিক্ষা কমিশন প্রধানের কাছ থেকে একটি স্বর্ণের কচ্ছপ, একই বছরের সেপ্টেম্বরে এক রোবট কুকুর উদ্যোক্তার কাছ থেকে ব্যবসায়িক সুবিধার বিনিময়ে একটি হাতঘড়ি, জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এক যাজকের কাছ থেকে একটি ডিজাইনার হ্যান্ডব্যাগ এবং ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে মনোনয়ন-সংক্রান্ত অনুরোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক এক প্রসিকিউটরের কাছ থেকে একটি চিত্রকর্ম গ্রহণের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে।
২০২৫ সালের আগস্টে আটক অবস্থায়, কিমের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। এভাবে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্টের স্ত্রী হিসেবে হেফাজতে থেকে বিচার মোকাবিলার নজির স্থাপন করেন।
এদিকে, ২০২৩ সালে ক্ষমতাসীন পিপল পাওয়ার পার্টি–সংক্রান্ত রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগে কিমের বিরুদ্ধে আরও একটি পৃথক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন