প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি নবজাতক জন্ম নিয়েছে, যাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির দেহে দুই হাত ও দুই পা মিলিয়ে মোট ৩০টি আঙুল রয়েছে। এর সাথে, জন্মগতভাবে শিশুটির জিহ্বা নেই বলেও চিকিৎসকরা জানান। বিরল এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যরা এবং কৌতূহলী এলাকাবাসী সকলেই ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে, মঠবাড়িয়ার ড্রিম অ্যান্ড হেলথ কেয়ার হাসপাতালে জন্মের পর, শিশুটিকে দেখতে স্বজন ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে ভিড় ঘটে।
শিশুটির বাবা ইসমাইল পালোহন উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি একজন দিনমজুর পেশায়।
পারিবারিক অন্যান্য সন্তানরা স্বাভাবিক হলেও, নবজাতকটির বিশেষ শারীরিক গঠন দেখে স্বজনরা হতবাক। তবে মা জেসমিন আক্তার, বাকি চার সন্তানের মতো, সদ্যজাত এই শিশুটিকেও আপন করে নিয়ে বাঁচার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, “সিজার করতে এসেছি টাকা ধার করে। বাচ্চাটার চিকিৎসা কীভাবে চালাব, এটা এখন ভাবনার বিষয়। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে আমার উপকার হবে।”
নবজাতক ও শিশু চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “অতিরিক্ত আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়ার এই অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘পলিড্যাকটিলিজম’ বলা হয়। তবে শিশুটির জিহ্বা না থাকা একটি বিরল জন্মগত ত্রুটি, যা নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।”
চিকিৎসকদের মতে, উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির ভবিষ্যতের চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে, সন্তানের সুস্থতার জন্য পরিবারের সদস্যরা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। পাশাপাশি, যারা সহযোগিতা করতে চান, তারা 01796019787 নম্বরে যোগাযোগের জন্য শিশুটির মা জেসমিন আক্তার আবেদন করেছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, সাধারণত মানুষের হাত-পা মিলিয়ে ২০টি আঙুল থাকে, কিন্তু মঠবাড়িয়ায় সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটির হাতে ১৬টি ও পায়ে ১৪টি আঙুল রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন