প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলমান বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে, যার ফলে টুর্নামেন্টের কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। নতুন ফরম্যাটে শুধুমাত্র গ্রুপের শীর্ষ দুই দল নয়, তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর জন্যও নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আগের ৩২ দলের বিশ্বকাপে ৮টি গ্রুপ থাকলেও, এবার ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে ৪৮টি দল খেলছে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে জায়গা করে নেবে। একইসাথে, ১২টি গ্রুপের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকারী ১২ দলের মধ্যে সেরা ৮টি দল পরবর্তী রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।
গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর তৃতীয় স্থান অর্জনকারী সব দলকে নিয়ে একটি সম্মিলিত র্যাঙ্কিং তৈরি করা হবে। সেই র্যাঙ্কিংয়ে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সেরা ৮টি দল নির্বাচন করা হবে। এই ৮ দল যোগ হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ ২৪ দলের সঙ্গে, ফলে মোট ৩২টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে নতুন সংযোজিত ‘রাউন্ড অব ৩২’।
তবে, তৃতীয় স্থানে থাকলেই নকআউটে ওঠা নিশ্চিত নয়। সেরা ৮ দলের তালিকা নির্ধারণ করতে প্রথমে দেখা হবে অর্জিত পয়েন্ট। যদি একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, তাহলে পর্যায়ক্রমে গোল ব্যবধান, মোট গোলসংখ্যা, ফেয়ার প্লে রেকর্ড এবং প্রয়োজন হলে ফিফা র্যাঙ্কিং বিবেচনায় নেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন নিয়ম গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোকে আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে। এখন দলগুলো শুধু গ্রুপের সেরা দুইয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য নয়, বরং সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের তালিকায় থাকার লক্ষ্যেও লড়াই করছে।
ফলে কোনো দল শুরুতে প্রত্যাশিত ফলাফল না পেলেও, তাদের বিশ্বকাপ অভিযান দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দল হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ থাকার কারণে টুর্নামেন্টে শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় থাকবে বলে মত প্রকাশ করেছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন