প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউরোপকে রাশিয়ার হামলা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেন সহ মোট ১০টি দেশ নতুন একটি জোট গঠন করেছে। গত সোমবার প্যারিসে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়। এই জোটটি ইউক্রেনের চার বছরের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে, বিশেষ করে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের জন্য।
প্যারিসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর সঙ্গে আলোচনা করতে এসে ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো পুরো ইউরোপের জন্য একটি যৌথ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা।’ জানানো হয়েছে যে, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের তুলনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থামানো আরও কঠিন। এই ধরনের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলা করতেই এই জোটের গঠন। তবে কবে নাগাদ এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। অন্যান্য দেশও চাইলে এই জোটে যোগ দিতে পারবে।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যদি রাশিয়ায় হামলা করে, তাহলে তার কঠোর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেছেন, ‘আমাদের পাল্টা হামলা হবে বহুগুণ বেশি শক্তিশালী।’ শীতকাল আসন্ন, এবং এই সময় রাশিয়া সাধারণত ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে হামলা বাড়িয়ে দেয়। তাই ইউক্রেন শীতের আগেই নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু এই ব্যবস্থা তৈরিতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই নতুন জোটকে ‘যুদ্ধবাজদের জোট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা রাশিয়াকে পরাজিত করার মিথ্যা স্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন