প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, মামলা করে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে দেওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময়সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ৯ মাসের পিটিআই ট্রেনিং, পিএসসির ব্যাকলগ কিংবা এনটিআরসিএর শিক্ষক নিয়োগে সব জায়গায় মামলা দিয়ে স্থবিরতা তৈরি করা হচ্ছে। ১৫ হাজার শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পরও মামলা করে নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে। একটি গ্রুপ ও অ্যাসোসিয়েশনের কিছু লোক এই মামলার সঙ্গে জড়িত এবং আমি তাদের চিহ্নিত করছি।
তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, যারা জাতি গঠনের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে, তারা রাষ্ট্রের শত্রু এবং দেশের শত্রু। এ বিষয়ে মহামান্য আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে এবং সরকারও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
নকল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নকল এখন নেই, এটা আমরা বিশ্বাস করি। তবে নকলের রূপ পরিবর্তিত হয়েছে, করোনার মতো ভ্যারিয়েন্ট বদলে গেছে। করোনার চলমান পরিস্থিতির জন্য আমরা ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্তন করেছি। কেবিনেট পাস করেছে, এবার সংসদে সেটি পাস হবে।
তিনি যোগ করেন, যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া যায়, তাহলে একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী যিনি ১৬ বছর বয়সী, তাকে শাস্তি দিতে পারি না। তাকে প্রভিশনে পাঠানো হবে, তবে নকল যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গেল, প্রতিষ্ঠান প্রধান তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন